মোঃ ফিরোজ হোসেন: এডভোকাট শাহ্ আলম জাতীয়তাবাদী চিন্তা চেতনার একজন মানুষ তিনি অত্যন্ত বয়জ্যেষ্ঠ। বাংলাদেশে প্রথম শারীর একজন শিল্প উদ্যোক্তা তিনি যেমনি একজন আইনবিদ তেমনি একজন সফল ব্যবসায়ী তার পরিচালিত ম্যাটাডোর গ্রুপে হাজার হাজার কর্মচারী এবং কর্মকর্তা আছেন। তার কর্মকর্তারা অত্যন্ত চৌকস তিনি নিজ এলাকায় রফিকুল ইসলাম মোল্লা মাদ্রাসা এবং মসজিদ কমপ্লেক্স তৈরি করেছেন কোটি কোটি টাকা খরচ করে। হাজারীবাগ বোরহানপুর জামে মসজিদ জাহা সৌদি আদলে নির্মিত। উহার একটি শোল্পিক দিক আছে কাজিরবাগ মসজিদ এবং মাদ্রাসা ;আজিম উদ্দিন হুজুরের এতিমখানা ম্যাটাডোর স্টাফ কোয়াটার মসজিদ ;চাঁদপুর হাজিগঞ্জ জয় সারা চৌধুরী বাড়ি মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় তার অবদান আছে। এছাড়া সারা বাংলাদেশ যেমন সিলেট হবিগঞ্জ জেলায়
তার নির্মিত মসজিদ আছে এছাড়া সারা বাংলাদেশে ১০০ খানা মাদ্রাসা ও এতিমখানা ও মসজিদে আর্থিক অবদান আছে । তিনি যেমন একজন সফল ব্যবসায়ী তেমনি পারিবারিক জীবনের সফল তার এক ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং চেয়ারম্যান। অন্য ছেলেরাও সফল ব্যবসায়ী এবং তার দ্বিতীয় ছেলে জাহাঙ্গীর সাহেব এলাকার বিভিন্ন স্কুল এবং মসজিদের সভাপতি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এলাকায় কোন মেয়ের বিয়ে দিতে না পারলে কন্যাদায়গ্রস্থ পিতা অর্থনৈতিকভাবে তাকে সহযোগিতা করেন তিনি । এছাড়া তার অর্থায়নে অনেকে পবিত্র হজ পালন করেছেন। ঢাকার কামরাঙ্গির চরে অনেক মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণে তার অবদান আছে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় কিছু সন্ত্রাসী মাস্তান এবং বখাটে লোক কুৎসা রটনা করে যাদের মূলত কোন পেশা নেই। তারা বিভিন্ন লোক দিয়ে জমি জায়গা নিয়ে ঝগড়া বিবাদ লাগিয়ে রাখে তার বিরুদ্ধে । কিছু হলুদ সাংবাদিক সুবিধা না পেয়ে তার বিরুদ্ধে ভূমিদস্যু হিসেবে লেখালেখি করে যার কোন আইনগত ভিত্তি নেই। যারা বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে ভূমি দখলের অভিযোগ এনেছে, তা তিনি আইনগতভাবে মোকাবেলা করেন। তিনি সম্পত্তি বৈধভাবে কিনেছেন এবং কিছু জমি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। তিনি মানুষের হাতে জ্ঞানের প্রতিক কলম তুলে দিয়েছেন। তার কথা হল যতদিন একজন ছাত্র-ছাত্রী স্কুল – মাদ্রাসার লেখাপড়া ছেড়ে না যায় ততদিন তার সহযোগিতা থাকবে। কোন বাবা-মা যদি স্কুলের ব্যয় ভার বহন করতে না পারে তবে তিনি তার কোম্পানি “ম্যাটাডোর গ্রুপ” হতে সে ছাত্রছাত্রীর ব্যয় ভার গ্রহণ করেন। তার কোম্পানি থেক গরীব,অসহায় ও এতিম বাচ্চাদের বাৎসরিক বৃত্তি দেওয়া হয়। হাজারীবাগে একধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তার অনেক আর্থিক অবদান রয়েছে। তার মধ্যে জাতি,ধর্ম,বর্ণের কোনো বৈষম্য নেই। তিনি একাধিক হজ পালন করেছেন । তিনি একজন ধার্মিক লোক। তিনি একটি আধুনিক হাসপাতাল করেছেন তার প্রতিষ্ঠিত “ম্যাটাডোর গ্রুপ” থেকে। দানবীর হিসেবেও তার সু – খ্যাতি রয়েছে । অনেকে তাকে সাবেক মেয়র তাপস সাহেবের সুবিধাভোগী মনে করেন, ব্যাপারটি মোটেই সত্য নয়। কারণ তিনি অনেক পুরনো প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি বাংলাদেশের তথায় সারা পৃথিবীর মানবসেবার এক বিনীত প্রাণ যার প্রতিটি দান জনকল্যাণে ব্যয় হয়ে থাকে। তিনি একজন আইনজীবী বটে। আইন পেশাতেও তার রয়েছে উজ্জল দৃষ্টান্ত কোন। গরীব দুঃখী আইনের সেবা নিতে গেলে সার্বিক সহযোগিতা করে থাকেন। আজকের এই দানবীর, বাংলার অহংকার, ঢাকার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব এডভোকেট শাহ আলম কে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্মরণ রাখবে। তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, ও কল্যাণ কামনা করছি।

0 মন্তব্যসমূহ